মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩

আজ থেকে শুরু হল... অঙ্কুরীশা-র পাতায়...প্রতিদিন বিভাগে — অণুগল্প — ১ ।। আজকের কলমে— হাত বাড়ালেই বন্ধু — সমাজ বসু

 






প্রতিদিন বিভাগে 

অণুগল্প — ১ 



হাত বাড়ালেই বন্ধু

সমাজ বসু


সকাল হতে না হতেই রোজ বাবা ছেলেকে ফোন করে। ছেলে বাবার ফোন পেয়েই পড়াশোনাতে মনযোগ দেয়। মা মরা ছেলে।
ছেলের ভালোর জন্য কলকাতার বাইরে পড়াশোনার জন্য রেখে দিয়ে আসে। কিন্তু বাবা মাঝে মাঝে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে ছেলেকে ফোন করতে ভুলে যায়। ছেলে মানসিক যন্ত্রণা ও কষ্ট পায়। আবার পরদিন সকালে বাবার ফোন এলেই সৌম্যর মন ভাল হয়ে যায়। পাখির পালকের মত নরম সুখ ওকে ছুঁয়ে যায়। বাবার মত বন্ধু সৌম্যর একটাও নেই।

এইভাবে বাবা ও ছেলের একটা ছোট্ট পৃথিবী গড়ে উঠেছে। যেখানে এই দুজন ছাড়া আর কারও প্রবেশাধিকার নেই। প্রায় কুড়ি বছর হয়ে গেল মা নেই। সৌম্যর সেই দিনটার কথা বেশ মনে আছে।

সেই দিন থেকে অনেক ঋতু বদলেছে। কিন্তু বাবা আর ছেলের দুনিয়ার এতটুকু বদল হয়নি। সৌম্য আজ জীবনে প্রতিষ্ঠিত। বাবাকে সে যাবতীয় সুখে মুড়ে দিয়েছে। শুধু তাঁর একাকীত্ব ছাড়া।

--- কোথায় নিয়ে চললি আমায়? 
--- আহ্ চুপ করে বসে থাকো। গাড়ি চালাচ্ছি। এখন কিছু বলতে পারব না।
কিছুক্ষণ পর সৌম্য বাবাকে নিয়ে পৌঁছে যায় গন্তব্যে।
--- ইনি শ্রী বরুণ চৌধুরী,আমার বাবা। কুড়ি বছর হলো আমার মা মারা গেছেন। আমার তখন দশ বছর। সেই দিন থেকে আমাকে উনি একা কোলেপিঠে মানুষ করেছেন। আমি জানি,আপনারা সকলেই একা। কারো স্বামী নেই। কারো স্ত্রী নেই। সন্তানেরা‌ হয়তো কর্মসূত্রে বাইরে আছে। তাই আমি আপনাদের সবার কথা ভেবে গড়ে তুলেছি "হাত বাড়ালেই বন্ধু"। এই প্রতিষ্ঠানের একটাই উদ্দেশ্য, সবাইকে একাকীত্ব থেকে মুক্ত করা। এখানে সম্পর্কের কোন নাম নেই। শুধু হাত বাড়িয়ে দেখুন,"হাত বাড়ালেই বন্ধু"।
সৌম্য চৌধুরীর কথা শেষ হতেই উপস্থিত সবাই উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিতে লাগলেন। বরুণ চৌধুরীও।











✍🏾আপনিও এই বিভাগে লেখা পাঠান ✍🏾




অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা 
--------------------------------------
🙏🙏লেখা আহ্বান🙏🙏

        ✍🏾প্রতিদিন বিভাগ✍🏾
              অণুগল্প 
           
 বিষয় —" সকাল হতে না হতেই  রোজ বাবা ছেলেকে ফোন করে। ছেলে বাবার ফোন পেয়েই পড়াশোনাতে মনযোগ দেয়।মা মরা ছেলে।।   ছেলের ভালোর জন্য  কলকাতার বাইরে পড়াশোনার জন্য রেখে দিয়ে আসে।কিন্তু  বাবা মাঝে মাঝে  বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে ছেলেকে ফোন করতে ভুলে যায়।  ছেলে মানসিক যন্ত্রণা ও কষ্ট পায়....."— এই অংশটি দিয়ে শুরু করে একটা   অণুগল্প শিরোনাম সহ  লিখে  পাঠিয়ে দিন অঙ্কুরীশা-র  পাতায়।


👩‍❤️‍💋‍👨 অঙ্কুরীশা ই ম্যাগাজিনে শুরু হলো প্রতিদিন বিভাগে অণুগল্প 

✍🏾এই  অণুগল্পটি ২০০ থেকে ২৫০ শব্দের মধ্যে   পাঠাবেন। 

✍🏾 একটা শিরোনাম দিয়ে অংশেটিকে সামনে রেখে  অণুগল্পটি লিখে পাঠাবেন। 

✍️✍ বাংলা বানানবিধি মেনে  মেল বডিতে (অভ্র অথবা ইউনিকোড) টাইপ করে পাঠাবেন। 

🙏এই বিভাগের  লেখা  যেন মৌলিক ও অপ্রকাশিত  হতে হবে।
🙏কোন প্রকার ছবি বা পিডিএফ ফাইল গ্রহণ যোগ্য হবে না।

 🙏এই বিভাগে  আপনার মৌলিক ও অপ্রকাশিত লেখা কিনা উল্লেখ করে দেবেন। 


 

👇🏾আপনি আপনার  এই অণুগল্পটি  আজই মেল করুন👇🏾
ankurishapatrika@gmail.com

✍️🙏আপনার এই পাঠানো  লেখাটি অঙ্কুরীশা-য় সম্মানের সাথে প্রকাশিত হবে। 

🙏 এই পর্বটি ২৩ শে মে ২০২৩ থেকে জুন ২০২৩ পর্যন্ত চলবে।

নমস্কার। 
ভালো থাকুন। 
সুস্থ থাকুন। 

 সম্পাদক 
অঙ্কুরীশা
২০/৫/২০২৩



1 টি মন্তব্য:

  1. সবকিছু ঠিকঠাক। কিন্তু কখনও সৌম্যকে বালক, কখনও বা বালিকা হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। মূল বাংলা লেখায় হয়তো ঠিকই আছে।
    অঙ্কুরীশা ই-ব্লগ পত্রিকা একটি বাংলা
    ভাষার পত্রিকা। ইংরাজি অনুবাদ করার
    কারণ ঠিক অনুধাবন করতে পারি না।

    উত্তরমুছুন