আশিস মিশ্র
----------------- ----------------
আ শি স মি শ্র
---------------- ----------------
এই যে যাওয়া
এই যে যাওয়া, তা আর ফেরার নয়।
চরণের শেষ দেখা যায় দূরে ; সুর
মিলিয়ে গিয়েছে মহাশূন্যে তার--
আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে ভিড়ের বলয়।
এই যে যাওয়া, তা আর ফেরার নয়
শরীর ফেরাবে না আর কালের লয়।
ঘুড়ি
বৈশাখী হাওয়া, ঘুড়ি উড়ে যাচ্ছে শূন্যে
শৈশব - গল্পের মতো কবিতার দেহ
জগতের ঘরে তার শব্দ অপ্রমেয়
উড়ে যাচ্ছে,উড়ে যাচ্ছি আমি পাপ-পুন্যে।
ঘুড়ি ছিঁড়ে যায় একদিন, ব্যথা পাও
তখন তুমিও কেবল শূন্যে তাকাও।
চাঁদমুখ
দরজা আটকে বসে আছে চাঁদমুখ
বড় অভিমান তার--পদকর্তা এসে
টোকা দেয়,খোলে না দরজা; অশ্রু ভেসে
যায়-- অশ্রু ভেসে যায়। কবির অসুখ...
বড় অভিমান তার,দরজার পাশে
কবিও বসেছে দেখো গ্রহণ - আবেশে।
কালো
কালো হয়ে গেলো চারপাশ; সন্ধ্যা নামে
মেয়েটির বুকে আঁকো চাঁদ -আলো- রেখা
কামনায় - বাসনায় ডুবেছে ঝরোকা ;
ঝরোকা ছেলেটি বাস করে তারাগ্রামে।
তার কাছে চির সন্ধ্যা ওষ্ঠে ডুবে থাকে
মধ্যরাতে তাকে খুব অন্ত্যমিলে ডাকে।
আয়না
আড়ালে যে আয়না রয়েছে, তাকে জানো
সে তোমাকে দেখে যাচ্ছে কোটি রাত দিন
ধরা পড়ে গেছ, যাচ্ছো কোথায় কখন --
দেহ মানে বুঝেছো অনন্ত সন্ধানও...।

অপূর্ব
উত্তরমুছুন